 |
@হিসাববিজ্ঞান বিভাগ পরিবার, চাঁদপুর সরকারি কলেজ, চাঁদপুর।
|
সমুদ্র অথবা দ্বীপ বরাবরের মতই সবার প্রিয়, আমিও তাদের বাহিরে না। সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আর শীতল বাতাস সবার হৃদয়ই শিহরিত করে দেয় এক মুহুর্তে। আর নিজের ভেতরে অন্যরকম রোমাঞ্চ তৈরি হয়। সমুদ্র আর নীল আকাশের অপূর্ব সমন্বয় লক্ষ্য করা যায় এই সেন্টমার্টিন এ। তাই তো সেন্টমার্টিনে যাওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায় সবার।
পরিকল্পনা ছিল সদলবলে সেন্টমার্টিন আর কক্সবাজার ট্যুর হবে। কিন্ত প্রথম দিকে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের রাজনীতি অস্থিতিশীলতার কারণে সেন্টমার্টন যাওয়ার ব্যাপারে একটু অনিশ্চিত থাকিলেও অবশেষে দীর্ঘ সময়ের পর সেন্টমার্টিনে যাওযার সিদ্ধান্ত অটল থাকিলো। সিদ্ধান্ত হলো সেন্টমার্টিন ও কক্সবাজার ২মার্চ থেকে ৬ মার্চ (৩দিন ৫রাত) ট্যুর হবে... ।
২রা মার্চ (বৃহস্পতিবার) :
সন্ধায় ৮টায় বেরিয়ে পরলাম সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে। প্রতিমধ্যে যাত্রা বিরতিতে হোটেল তাজমহল -এ রাতের খাবার শেষ করে আবার রয়না হলাম টেকনাফের উদ্দেশে। দীর্ঘ ৭-৮ ঘন্টা পর টেকনাফে পৌঁছাই।
৩রা মার্চ (শুক্রবার) :
টেকনাফে… নাস্তা সেরে জাহাজে করে দুপুর সাড়ে বারোটার মধ্যে সেন্টমার্টিনে পৌঁছাই।
দিনটি শুক্রবার হওয়ায় নামাজ শেষে লাঞ্চ করে সবাই কিছু সময় বিশ্রাম নিয়ে কেউ কেউ নিজেদের মতো করে উপভোগ করতে লাগল। আবার কেউ কেউ সমুদ্রের পাড়ে ফুটবল খেলা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ল। আমাদের সাথে ফুটবল খেলায় স্যারদের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে উপভোগ্য বিষয়।
বিস্তারিত আসছে…
ছবিঘর
 |
১. ২রা মার্চ রাত বাসে বন্ধুদের সাথে।
|
 |
| ২. রাতের খাবারের পর হোটেল তাজমহল কমপ্লেক্সে। |
 |
| ৩. ৪ঠা মার্চ সকালে সাইকেল রাইডিং। |
 |
| ৪. বিভাগীয় প্রধান স্যার, আতিকুর রহমান স্যার এবং আমরা। |
 |
| ৫. ছেড়া দ্বীপে যাওয়ার পথে ট্রলারে। |
 |
| ৬. ছেড়া দ্বীপে আমরা। |
 |
| ৭. ছেড়া দ্বীপে আমরা সবাই। |
 |
৮. বিভাগীয় প্রধান স্যারের সাথে বাসে।
|
 |
| ৯. বিভাগীয় প্রধান স্যারের সাথে আমি। |
 |
| ১০. সাজ্জাদ হোসাইন মজুমদার স্যারের সাথে আমি। |
মাসাল্লাহ, অনেক সুন্দর ❤️
উত্তরমুছুনধন্যবাদ ভাইয়া…❤️
মুছুন